“মাদক ছেড়ে বই ধরি,সোনার বাংলা দেশ গড়ি” ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ এ মুজিব বর্ষের প্রাক্কালে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উদ্বুদ্ধকরণে গোমাস্তাপুর উপজেলার  চৌডালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মুনিরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন, চৌডালা জোহুর আহমেদ মিয়া কলেজ অধ্যক্ষ  কামরুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন,  জেলা পরিষদ সদস্য ফজলু রহমান। উপস্হিত ছিলেন,  আওয়ামী লীগ চৌডালা ইউনিয়ন শাখা সাবেক সভাপতি  আনসারুল হক , প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম , মুনিরুল ইসলাম, ইব্রাহীম খলিল কাজী, তোতা মিয়া চৌডালা জোহুর আহমেদ মিয়া কলেজ।   চৌডালা দাখিল মাদ্রাসা সুপার একরামুল হক,  চৌডালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাবুল হক,   চৌডালা বালিকা বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান চৌডালা দাখিল মাদ্রাসা  সহকারী শিক্ষিকা আলিয়া খাতুনসহ চৌডালা ইউনিয়নেল সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষক শিক্ষিকা ছাত্র ছাত্রী সহ এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি বর্গ।

অনান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন  নূরুল ইসলাম জর্জ, হায়দার আলি, হেলাল উদ্দিন, খাইরুল ইসলাম।বক্তারা বাল্যবিবাহের কারন হিসাবে বলেন যে সামাজিক প্রথা,দরিদ্রতা,অর্থনৈতিক সংকট,সামাজিক নিরাপত্তা,মেয়েদের প্রতি অবহেলা,পড়ালেখা শেষে কর্ম ক্ষেতের সল্পতা সহ বিভিন্ন কারন উল্লখ করেন।কুফল হিসাবে বলেন বাল্যবিবাহের কারনে নবজাতক ও মায়ের মৃত্যুর ঝুকি বেড়ে যায়, অপুষ্টিতে ভোগা, প্রসাব কালে সমস্যা, রক্ত সল্পতা দাম্পত্য কলহ, সামাজিক ও পারিবারিক অনেক সমস্যা বয়ে আনে। প্রতিকার হিসাব বলেন সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিকরন, মেয়েদের সামাজিক নিরাপত্তা, কর্ম সংস্হান বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠন সহ আইনে দন্ডনিয় অপরাধ সহ ভয়াবহ শাস্তির কথা তুলে ধরেন।বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৫৪ থেকে ১৫ এবং মাতৃ মৃত্যুর হার প্রতিহাজারে ৩.৮ থেকে ১.৫ এ নামিয়ে আনা হবে। মাদকের কুফল হিসাবে বক্তরা বলেন যে মাদক একটি সামাজিক ব্যধি। মাদকে যুব সমাজ যেন আসক্ত না হয় সে দিকে পিতা-মাতা সহ সমাজের সবাই কে সচেতন থাকতে হবে।

কমেন্ট করুন