স্টাফ রিপোর্টারঃ রকার যখন গ্রাম ও শহরের পার্থক্য না রাখতে যোগাযোগসহ নানা মূখী উন্নয়নে ব্যস্ত। ঠিক এমন সময় সরকারের কিছু অসাধু কর্মকর্তার লুটপাটের কারণে ভেস্তে যেতে বসেছে দেশের উন্নয়ন। বিভিন্ন উন্নয়নে লাখ লাখ টাকার প্রকল্পের নামে চলছে হরিলুট। এতে পকেট ভারি হচ্ছে অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর আর বদনাম হচ্ছে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর। ২০১৪-১৫ অর্থ বছর। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালর্ভাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি সেতু নির্মাণ হয়েছে ভূতের রাস্তায়। অপরিকল্পিত ভাবে একই অর্থ বছরে মানুষের যোগাযোগের কোন রাস্তা না থাকলেও ৩টি সেতু কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পগুলো উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়নের খালেআলমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিমে মেইন রোড়ের পার্শ্বের খাড়ির উপর সেতু নির্মাণ করা হয়। যার দৈর্ঘ্য ৩৯-০০ ফিট। ব্যয় ধরা হয় ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৪২৫ টাকা। অপরদিকে একই ইউনিয়নের বজরাটেক মুন্সিগঞ্জহাটের উত্তর দিকে একই মাফের এবং সমপরিমাণ অর্থ ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হয়। সরজমিন গিয়ে সেতুটির বরদ্দের পরিমাণ ও প্রকল্পের নাম ঠিকানা ৫ বছরের মধ্যেইে লেখা চিহ্নি হারিয়ে গেছে। ভোলাহাট ইউনিয়নের ঝাউবোনা সাবুশা দর্গা দিয়ে কওমী মাদ্রাসা যাওয়ার পথে ক্যানেলের উপর সেতু নির্মাণ। যার দৈর্ঘ্য ৩৯-০০ ফিট। এ সেতুর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৪ শত ৮২ টাকা। সেতুগুলো যে স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে তার এপারে ওপারে কোন রাস্তা না থাকা সত্বেও সেতু নির্মাণ করায় এলাকার মানুষ ক্ষোভ করে বলেছেন ভূতের রাস্তায় সেতু নির্মাণ করেছে। যা কারো কোন কাজেই আসছে না সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু ৩টি। এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, সরকারের লাখ লাখ টাকা লুটপাট করার উদ্দেশ্যে সরকারী অসাধু কর্মকর্তারা সেতু ৩টি অপ্রয়োজনীয় জায়গাতে নির্মাণ করেছেন। সেতু ৩টির দুই মাথায় সরকারী বা বেসরকারী কোন রাস্তা নাই। এদিকে সেতু ৩টির দুই মাথায় নির্মাণের পর এখন পর্যন্ত মাটি ভরাট না করায় খাল হয়ে আছে। ফলে ভোলাহাট ইউনিয়নের ঝাউবোনা সাবুশা দর্গা দিয়ে কওমী মাদ্রাসা যাওয়ার পথে ক্যানেলের উপর সেতুর পাশের আম বাগানের মাটি ক্যানেলে ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সরজমিন দেখা গেছে। এ ব্যাপারে বার বার স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এলাকাবাসি সরকারের প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযানে ভোলাহাট উপজেলাকে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী করেছেন। অসাধু কর্মকর্তাদের ঠটকারি পরিকল্পনা সীমাহীন অর্থ আত্মসাত ও দূর্নীতিতে ভোলাহাট উপজেলার উন্নয়ন চরম বাধাগ্রস্থ হওয়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারের জোরালো পদক্ষেপ নেয়ার দাবী এলাকাবাসির। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আরিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রকল্পগুলো তার সময়কালে না হওয়ায় কিছু জানা নাই। প্রকল্পগুলো কি অবস্থায় আছে তাও তিনি বলতে পারননি।

কমেন্ট করুন