1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ- শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

রাসায়নিকের বিকল্প কেঁচো সার

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সবজি চাষে ব্যবহারে সফলতা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট)। কৃষকেরা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে এখন কেঁচো সারের ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। এই সারের ব্যবহারে সবজিখেতে শস্য উৎপাদন বেড়ে যায়। তা ছাড়া এটি রাসায়নিক সারের বিকল্প হওয়ায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সবজি উৎপাদিত হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কর্নখালি গ্রামের আলহাজ খাইরুল বাসারের ছেলে গোলাম আযম “ আওয়াল সিডি ভার্মি কম্পোষ্ট সার” নামে ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরী করে আসছেন বিগত ২০১৩ সাল থেকে। এ পর্যন্ত কেঁচো ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরী করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য করতে গিয়ে বড় ধরণের ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মানুষের কাছে ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরী করে ঋণমুক্ত হয়ে এখন জীবনে আশার আলো দেখছেন বলে তিনি জানান, আমি পত্রিকার মাধ্যমে কেঁচো সারের গুনাগুন এবং চাহিদা সবকিছু জানার পর ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরী করা শুরু করি। বর্তমানে সব ব্যবসা ছেড়ে ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরীর খামার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার হয়। আমি এতে সফলতার সফলতা অর্জন করেছি।

আরেক উদ্যোক্তা সুমাইয়া আক্তার বেবি বলেন, আমাকে শিবগঞ্জ শাহাবাজপুর গ্রাম ও বাংলাদেশ ভার্মীকম্পোষ্ট উৎপাদক এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাঃ সানাউল্লাহ সুমন অনুপ্রেরণা দিয়েছে। চাষের পদ্ধতি হাতে-কলমে শেখেছি। সুমাইয়া আক্তার বেবি আরো বলেন, স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেছি বর্তমানে একটি কেজি স্কুলে শিক্ষতকতা করছি। কিন্তু কিছু একটা করার ইচ্ছা সবসময় আমাকে তাড়িয়ে বেড়াত। তা থেকে বাড়িতেই কেঁচো খামার গড়ে তুলি। এখন কেঁচো চাষ করছি। তবে কেঁচো সার তৈরির প্রধান উপকরণ গোবর। তবে নিজ বাড়িতে গরু রয়েছে। যার ফলে কেঁচো চাষ আমার জন্য আরো সহজতর হয়।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উর্বর মাটিতে ৫ শতাংশ জৈব পদার্থ থাকার কথা। এতে মাটিতে পানির ধারণক্ষমতা ও বায়ু চলাচলের সুযোগ বাড়ে। কিন্তু দেশের বেশির ভাগ এলাকায় মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ মাত্র ১ শতাংশ। তাই মাটিতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ালে মাটির প্রাকৃতিক উর্বরতা বাড়বে। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার মাটিকে নরম করে এবং পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন অণুজীবের বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে ক্রমেই ভূমির উর্বরতা কমে যেতে থাকে। ফলে এখন থেকেই মাটিতে কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার বাড়াতে হবে।

এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানান, ভার্মি কম্পোষ্ট সার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত একটি শক্তিগুন সম্পন্ন জৈব সার। জমির কোন ক্ষতি করেনা। এই সার ব্যবহারের ফলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার অনেকাংশে কমে গেছে। আমরা ভার্মি কম্পোষ্ট সার
তৈরীতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছি তা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)