1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ- শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ্যাসোসিয়েশন সম্মেলনে সভাপতি খোকন, সাধারন সম্পাদক- ইসাহাক আলী শিবগঞ্জে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ফটো সেশনে অতিষ্ঠ রোগীরা ভোলাহাটে শীর্ষ নারী মাদক ব্যবসায়ীর ১ বছরের কারদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের র‌্যাবের অভিযানে ৮ জুয়াড়ি আটক ভোলাহাটে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ভবনের -ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন  ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ সেমিনার গোমাস্তাপুরে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আগ্রহ নেই নাচোলে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সমাবেশ নাচোলে ভূয়া পুলিশের ১লাখ টাকা ছিনতাই! গোমস্তাপুরে উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন সভাপতি আজম সেক্রেটারি আসাদুল্লাহ
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

রহনপুরে ভাঙ্গাড়ির দোকানে ফেনসিডিলের খালি বোতলের পাহাড়

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,গোমস্তাপুরঃচাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে ভাঙ্গাড়ীর দোকানে ফেন্সিডিলের খালি বোতলের পাহাড় । পথশিশু, টোকাই ,প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে নিয়ে বিক্রি করে ভাঙারির দোকানে। খুচরা ভাঙ্গাড়ী ব্যবসায়ীরা সেগুলো বিক্রি করে বড় ফ্যাক্টরিতে। ভাঙ্গারি ফ্যাক্টরিতে বোতলের লেভেল খুলে সেগুলো রিসাইক্লিং করা হয়। তারপরে এগুলো পরিষ্কার করে তৈরি করা হয় প্লাস্টিক তৈরির কাঁচামাল। রহনপুরের কোন কোন স্থানে ভাঙ্গারির দোকান গুলোতে গেলেই চোখে পড়বে নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলের শত শত খালি প্লাস্টিকের বোতল।

এদিকে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার এর সাথে কথা বলে জানা যায়,এক সপ্তাহে প্রায় দুইশ আড়াইশো ফেন্সিডিলের খালী প্লাস্টিক বোতল বিক্রি করেন। টোকাইরা এগুলো বিভিন্ন অলিগলি নর্দমা, ড্রেন ,জঙ্গল ও মানুষের যাতায়াত কম এমন জায়গা থেকে কুড়িয়ে এনে ভাঙ্গাড়ী ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে।এই প্লাস্টিকের বোতল গুলো ছোট ছোট করে কেটে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা গাজীপুর, বগুড়া পাঠানো হয়। বোতল গুলো ৪টাকা কেজি দরে ক্রয় করা হয়। তিনি আরো বলেন ভাঙ্গারির দোকানে এগুলো ফেন্সিডিলের বোতল ক্রয় করা আইনি কোনো বাধা নেই। তাই এগুলো ক্রয় করলে আশেপাশের পরিবেশ ঠিক থাকবে।কারণ এগুলো রাস্তাঘাটে পড়ে থাকলে পরিবেশ দূষিত হয়।

অপরদিকে প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যেও মাদকসেবীরা ফেন্সিডিল খেয়ে খালি বোতল যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষিত করছে। তাদের ফেলে দেওয়া বোতলই অন্যান্য বোতলের সঙ্গে সংগ্রহ করে টোকাইরা বিক্রি করে।

আরো একজন ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জলিলের সাথে কথা বলে জানা যায়,এগুলো কেউ তার কাছে বিক্রি করতে আসলে তিনি নেন না। মাদকসেবীরা এগুলো পান করে ডাস্টবিন কিংবা বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখে। ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী তিনি না নিলেও বড় দোকানে এসে লোকেরা বিক্রি করে।তিনি আরো বলেন এগুলো কম দাম এবং জায়গা বেশি দখল করে সে ক্ষেত্রে আমার লস হয়,তাই আমি নিতে রাজি হয় না।আর এগুলো তো রহনপুরে অভাব নেই যেখানে সেখানে যততত্র পড়ে থাকে। একদিন একটি দোকানে গড়ে প্রতিদিন ২০০/২৫০ কেজি করে টোকাইরা ফেন্সিডিলের বোতল বিক্রি করে থাকে। তাহলে এক সপ্তাহে ১৪০০/১৭৫০ কেজি করে গড়ে দাড়ায়।

এদিকে রহনপুর সচেতন মহলের দাবি, রহনপুর অঞ্চল অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিক থেকে অনেক অগ্রগামী। এখানে সব রকমের লোকের সমাগম লক্ষ্য করা যায়।তাই এই স্থানকে মাদকসেবীরা বেছে নিয়ে মাদকসেবীদের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে থাকে।তাই প্রশাসনের আরো কঠোর নজরদারির দাবি জানান সচেতনত মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)