1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ- বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মানবতার ফেরিওয়ালা এসপি নুরুল

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
রুবেল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার শিবগঞ্জঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সারা বিশ্বে এখন এক আতঙ্কের নাম। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই হানা দিয়েছে এ ভাইরাস। এর সংক্রমণ থামাতে প্রায় সব দেশই কোনো না কোনোভাবে লকডাউনের পথে হাঁটলেও পরিকল্পিতভাবে এর তান্ডব থামাতে পেরেছে খুব কম দেশই।
বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। ২৬ মার্চ থেকে দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে লকডাউন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ে লাখ লাখ মানুষ। এরইমধ্যে হাজার হাজার মানুষের চাকরি চলে গেছে। মধ্য ও নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে চলছে আর্থিক সংকট। ঠিক এমন সময় দেশের বহু বিত্তবান হাত গুটিয়ে বসে থাকলেও কিছু মানুষ তাদের সহযোগিতার হাত খোলা রেখেছেন ঠিকই। তাদের উদ্দেশ্য আত্মপ্রচার নয়। তারা মানবতার সেবায় নীরবে নিভৃতে সাধারণ মানুষদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এই মানবতার ফেরিওয়ালাদের একজন হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতিসস্তান ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম (বিপিএম-বার, পিপিএম)।
এসপি সৈয়দ নূরুল ইসলাম বিশ্ব পরিস্থিতির আলোকে বুঝতে পেরেছিলেন, কী ঘটতে যাচ্ছে প্রিয় বাংলাদেশে। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই প্রতিদিন নতুন উদ্যোগ আর নতুন চিন্তা ভাবনায় সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বিশেষ করে তার জন্মস্থান শিবগঞ্জের জনগণের পাশে ছিলেন এই মানবতার ফেরিওয়ালা।
মহামারি করোনা পরিস্থিতির শুরুতে মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে এসপি নুরুলের ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান জিকে ফাউন্ডেশন (কশিমুদ্দিন-গুলনাহার) শিবগঞ্জের ১৮ হাজার পরিবারের মধ্যে নিজ ফাউন্ডেশনের কর্মী বাহিনী দিয়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
ঈদুল ফিতরের সময় শিবগঞ্জ সহ জেলাজুড়ে আরো কয়েক হাজার পরিবারের মধ্যে ঈদ শুভেচ্ছা বাবদ উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ দেন সৈয়দ নূরুল ইসলাম।
তিনি শুধু অর্থ, খাদ্যসামাগ্রী ও নির্দেশনা দিয়েই বসে থাকেননি বরং তিনি সম্মুখ যোদ্ধার মতো তাঁর অন্য দুই ভাইকেও মাঠে নামিয়েছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। তাঁদের একজন হচ্ছেন শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, অপরজন হচ্ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ মনিরুল ইসলাম।
অন্যদিকে এসপি নূরুল ইসলাম নিজেও নেমে পড়েন তাঁর কর্মস্থল কুমিল্লার পথে-ঘাটে। এ পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার মানুষকে সহায়তার পাশাপাশি সচেতন করে যাচ্ছেন তিনি।
এমপি সৈয়দ নূরুল ইসলামের করোনাকালে মানবতার সেবায় নিজস্ব উদ্যোগে এমন দান-অনুদানের বিষয়ে তিন বলেন, করোনার শুরু থেকেই যা কিছু করেছি সবই রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনানুযায়ী করেছি। নেত্রীর নির্দেশ ছিল, অসহায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার। তাদের পাশেই আছি। সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, এই যে দানশীলতা। এটা আমার রক্তে মিশে আছে। এটা আমি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত। আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ কশিমুদ্দিন ইসলামকে দেখেছি, তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করতেন, তাদের নানাভাবে সহযোগিতা করতেন। আমি আমার বাবার সেই ধারা বহমান রেখেছি। আমৃত্যু রাখবো।
সবার কাছে দোয়া চেয়ে এসপি নূরুল বলেন, এই ধারাবাহিকতা যেন এ দুর্যোগে অবশ্যই অব্যাহত রাখতে পারি। আমার বাবা ও মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘জিকে ফাউন্ডেশন’ সাধারণ মানুষের পাশে আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)