1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভোলাহাটে মিষ্টি কুমড়ার দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষক

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
ভোলাহাটে মিষ্টি কুমড়া নিয়ে বিপাকে চাষিরা।

স্টাফ রির্পোটার ঃ কয়েক বছর ধরে মিষ্টি কুমড়া চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়ে আসছিলেন ভোলাহাটের চাষিরা। তারা তুলনামূলক অন্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিলেন। এ বছরও লাভের আশায় মিষ্টি কুমড়া চাষ করে পানির দামে বিক্রি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে মিষ্টি কুমড়ার জমিতে। শতশত বিঘা জমির কুমড়া এখন জমি থেকে তোলা শেষের পথে। বাজারজাত করার মোক্ষম সময় এখন। কিন্তু দেশব্যাপী করোনার কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় দাম কম হওয়ায় বাজারজাত করতে না পারা ও পাইকার না আসায় বিপাকে পড়েছেন তারা।

কানারহাট গ্রামের মিষ্টি কুমড়া চাষি আনোয়ার হোসেন বলেন, জমিতে মিষ্টি কুমড়া শেষের পথে। এর মধ্যে করোনা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজারে নিতে পারছি না। পাইকারদের কাছেও বিক্রি করতে পারছি না। পাইকারেরা জমিতি এসে মিষ্টি কুমড়া ক্রয় করে নিয়ে যায়। তবে ৪০ কেজিতে মণ হলেও পাইকারেরা বাড়তি ৪৫ কেজিকে মণ নেয় বলে জানান।

বর্গাচাষি খাবির জানান, তারা মিষ্টি কুমড়া সাথী ফসল হিসেবে আম বাগান, বরই এর জমিতে চাষ করেন। সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে বাড়তি আয় করেন। মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করে সংসার বেশ ভালো মত চলে যায়। তবে তিনি বলেন, এ বছর মিষ্টি কুমড়ার দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভূগছেন।

উপজেলার ৪১ নং গভীর নলকূপের অপারেটর ঝাউবোনা গ্রামের মিনার জানান, আমার গভীর নলকূপের আওতায় এ বছর ১৫ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ হয়েছে। বিঘা প্রতি হাইব্রীডের ফলন হয় ৪০/৫০ মণ এবং দেশীটা ২৫/৩০ মণ। তিনি বলেন, ভোলাহাটের বাইরে দাম কম হওয়ায় এখানে চাষিরা দেশী মিষ্টি কুমড়া মণ প্রতি ১৫০/২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এর পূর্বে ৭’শ ৮’শ টাকা মণে বিক্রি হতো এবং হাইব্রীড মণ প্রতি ৩’শ টাকা হচ্ছে পূর্বে ৮’শ ও ৯’শ টাকা দরে বিক্রি হতো।

মেডিকেল মোড়ের মিষ্টি কুমড়া ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান, বর্তমানে মিষ্টি কুমড়ার দাম খুব কম। দেশের বিভিন্ন জায়গাতে দাম কম হওয়ায় সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এদিকে করোনার প্রভাব পড়েছে সব জায়গাতে যার কারণে দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ভোলাহাটে গুদামজাত করতে হচ্ছে।

ভোলাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, ভোলাহাটে এ বছর প্রায় ১’৮৮ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫’শ ৫০ মেঃটন। এ বছর মিষ্টি কুমড়ার বেশ ভালো উৎপাদন হয়েছে। তবে করোনার প্রভাবে কৃষক নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)