1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিবগঞ্জে মৃত্যুর মিছিল বজ্রপাতে প্রাণ হারালো ১৬ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্রি অক্সিজেন সেবার যাত্রা শুরু! বড় অফিসার হওয়ার স্বপ্ন গোমস্তাপুরের মেধাবী ছাত্রী বনি নাচোলে সন্ত্রাসি হামলায় সাংবাদিক সুফিয়ান গুরুতর আহত ভোলাহাটে পিস ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকার সম্পাদকের মাতার মৃত্যুতে গোমস্তাপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের দোয়া মাহফিল ভোলাহাটে কেন্দ্রীয় পাঠাগার ভবনে বই পাঠক কিছুই নেই ভোলাহাটে ইয়াবাসহ ২জনকে আটক করেছে বিজিবি নাচোলে আশ্রয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি কাজ পরিদর্শন করলেন বিভাগীয় কমিশনার শিবগঞ্জে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শত শত বাড়ী হুমকির মুখে
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভোলাহাটে বছর জুড়ে পাওয়া যাচ্ছে আম

  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭৫৯ বার পড়া হয়েছে
ভোলাহাটে বারী ১১ জাতের আম ধরে আছেন বাগান মালিক কামাল।

গোলাম কবিরঃ আমের রাজধানী ভোলাহাটে এখন বছর জুড়ে পাওয়া যাচ্ছে আম। দিনের সাথে সাথে বদলাচ্ছে আয়ের নতুন নতুন কৌশল। এরি অংশ হিসেবে উপজেলার নামো মুশরীভূজা গ্রামের আব্দুস শুকুর বিশ^াসের ছেলে কামাল উদ্দিন আধুনিক পদ্ধতিতে আয়ের নতুন কৌশল হিসেবে ১১ বিঘা জমিতে চাষ করেছেন বারী-১১ জাতের আম। কথা হয় কামাল উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, ১১ বিঘা জমিতে ৬/৭ বছর বয়সের প্রায় ৭/৮’শটি আমরূপালী জাতের গাছসহ লীজ নেন ২০২০ সালের প্রথম দিকে। লীজ নেয়ার পর সব গাছের ডাল ছাঁটাই করে বারী-১১ জাতের আম গাছের ডোগা টেপ করেন। নিয়মিত পরিচর্চাসহ জমির লীজ দিয়ে মোট খরচ হয় ১৮ লাখ টাকা। এখন প্রত্যেকটি গাছে আম, গুঠি ও মুকুল ধরে আছে। সম্প্রতি সাড়ে ৩’শ টাকা কেজি দরে ২ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। চলতি বছরে ১০ লাখ টাকার আম বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন। ১০বছরের জন্য লীজ নেয়া জমিতে মোট আয় পাবেন ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বলে আশা করছেন। তিনি জানান, ১০ বছর পর জমির মালিককে গাছসহ জমি বুঝিয়ে দিতে হবে। তবে তিনি বলেন, ১০ বছরের মধ্যে আম থেকে বিশাল আয় আসবে। আমের গাছের পরিচর্যার ব্যাপারে তিনি বলেন, দেশীয় জাতের আম গাছের চাইতে এ আম গাছের পরিচর্যা অনেক বেশী। বারী-১১ জাতের আম চাষের ক্ষেত্রে তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন। আম বাজারজাতে কোন সমস্যা হয় না আম বাগান থেকে আম ক্রয় করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, একই মৌসুমে দেশীয় আম ব্যাপক উৎপাদনে মানুষের চাহিদা পূরণ হয়ে আমের চাহিদা কমে যায়। আম ব্যবসায়ীরা লাভবান হতে পারে না। কিন্তু বারী-১১ জাতের আম চাষ করে বছর জুড়ে আম উৎপাদন যেমন ব্যাপক হারে হয় তেমনী ব্যবসায়ী ক্ষেত্রে প্রচুর লাভবান হওয়া যাবে। ব্যাপক ভাবে বারী-১১ সহ বেশ কিছু জাতের আম রয়েছে যা সারা বছর জুড়ে উৎপাদন হবে। ফলে দেশে সারা বছর আমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। আধুনিক পদ্ধতিতে আম চাষ করলে আম ব্যবসায়ীসহ বাগান মালিকেরা লাভবান হবে। আম ফাউন্ডেশন ভোলাহাটের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক চুটু জানান, বছর জুড়ে আম উৎপাদন হলে আম চাষ করে ব্যাপক লাভবান হওয়া যাবে এবং সারা বছর আমের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে বলে জানান। তিনি বলেন, কামলা ছাড়া আরো বেশ কয়েক জন আম চাষ ব্যবসায়ী আম চাষ শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, বার মাস আম চাষের ব্যাপারে চাষিদের কারিগরি সহায়তাসহ নিয়মিত পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের মাত্রাসহ প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকি বলে জানান। তিনি বলেন, এ আম উৎপাদনে সারা বছর মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আম ফাউন্ডেশন সভাপতি মশিউর রহমান জানান, তিনি বার মাস আমের উৎপাদনের কথা শুনে তাৎক্ষণিক আম বাগান সরজমিন পরিদর্শনে যান। বার মাস আম উৎপাদন হলে আম চাষিরা আর্থিক ভাবে স্বাভাবিক মৌসুমের উৎপাদিত আমের চেয়ে ব্যাপক লাববান হবেন। তাছাড়া ভোলাহাট উপজেলাসহ দেশের মানুষের সারা বছর পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে বলে জানান। এদিকে উপজেলার একমাত্র আম বিক্রয় কেন্দ্র আম ফাউন্ডেশনে সারা বছর আম বাজার বসলে আম ফাউন্ডেশনও আর্থিক ভাবে লাভবান হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)