1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ্যাসোসিয়েশন সম্মেলনে সভাপতি খোকন, সাধারন সম্পাদক- ইসাহাক আলী শিবগঞ্জে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ফটো সেশনে অতিষ্ঠ রোগীরা ভোলাহাটে শীর্ষ নারী মাদক ব্যবসায়ীর ১ বছরের কারদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের র‌্যাবের অভিযানে ৮ জুয়াড়ি আটক ভোলাহাটে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ ভবনের -ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন  ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ সেমিনার গোমাস্তাপুরে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আগ্রহ নেই নাচোলে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সমাবেশ নাচোলে ভূয়া পুলিশের ১লাখ টাকা ছিনতাই! গোমস্তাপুরে উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন সভাপতি আজম সেক্রেটারি আসাদুল্লাহ
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভোলাহাটে পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধের কারণে ৬’শ বিঘা জমির ধান নষ্ট

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে
 ভোলাহাটে এ ভাবেই নষ্ট করেছে ৬’শ বিঘা জমির আউশ ধান। কৃষকের আহাজারী।

স্টাফ রিপোর্টারঃ ভোলাহাটে জলমহলের ইজারাদার পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধ করে দেয়ায় পানির নিচে ৬’শ বিঘা জমির ধান তলিয়ে নষ্ট হয়ে একেবারে নিশ্চিহৃ হয়ে গেছে। উপজেলার মুশরীভূজার ৭৫জন ভূক্তভূগি কৃষক গত ১৫ অক্টোবর স্থাণীয় সংসদ সদস্যসহ জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি অফিসার, মৎস্য অফিসার বরাবর প্রতিকার চেয়ে অভিযোগপত্র প্রদান করেছেন। অভিযোগপত্রে জানা যায়, মুশরীভূজা, চামামুশরীভূজা, নামোমুশরীভূজা, ঘাইবাড়ী, বারইপাড়া, জাগলবাড়ী ও রঘুনাথপুর মৌজার প্রায় ৬’শ বিঘা জমির আউশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে ১০/১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিলভাতিয়া জলমহল ইজারাদার সোনাজোলের ব্রীজের নিচে বালির বস্তা ফেলে বাঁধ দিয়ে পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধ করে দেয়। ফলে রোপন করা আউস ধান তলিয়ে যায়। পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধ না থাকলে দ্রুত পয়ঃনিষ্কাশন হয়ে ধানগুলো জেগে উঠতো। কিন্তু জলমহল ইজারাদারেরা ব্যক্তিগত ভাবে লাভবানের আশায় পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধ করায় পানি নেমে যেতে পারেনি। ফলে প্রায় ৬’বিঘা জমির আউশ ধান পানির নিচে থাকায় তাদের ছাড়া রাক্ষসি মাছ ধানগুলো খেয়ে নিশ্চিহৃ করে ফেলেছে। এত ভূক্তভূগি কৃষকেরা সর্বসান্ত হয়ে পড়েছেন। ভূক্তভূগি কৃষক লোকমান আলী আলী জানান, ধান নষ্ট হওয়ায় এ এলাকার প্রায় ১’শ পরিবারের ৫’শ মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে। বিলভাতিয়া ইজারাদারদের কারণে তাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। অপরএকজন কৃষক মেজারুল হক জানান, রাক্ষসি মাছে তাদের সব ধান খেয়ে শেষ করে ফেলেছে। আশায় বুক বেঁধে ধান রোপন করে ডালভাত খেয়ে সংসারের সদস্যদের নিয়ে বাঁচতাম। কিন্তু ইজারাদারদের কারণে আজ সর্বসান্ত। তিনি ক্ষতিপূরণের দাবী করেন। রজব আলী জানান, ঘরে একটি ধানও তুলতে পারবো না। সব খেয়ে শেষ করেছে রাক্ষসি মাছে। পরিবারের সদস্যদের মুখে দু’মুঠো ভাত তুলে দেয়ার ক্ষমতা নেই বলে কেঁদে ফেলেন। এদিকে বিলভাতিয়ার ইজারাদার বজলুর রহমানের পার্টনার জেমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাঁধ দিয়ে পায়ঃনিষ্কাশন বন্ধের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ব্রীজে কোন বাঁধ দেয়া হয়নি এবং যে সব ধানের জমি ডুবে আছে সেগুলো প্রপোজালেল জমি। সরকার জলাশয়ের জন্য লাল কালি দিয়ে বাতিল করেছে। ভূক্তভূগি কৃষকের অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার আসাদুজ্জাবান অভিযোগপত্রটি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, উপজেলা নিবাহী অফিসারের সাথে সমন্বয় করে সরজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)