1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে  কর্মকর্তার দ্বিমুখী প্রতিবেদনে এমপিও আটকে গেছে শিক্ষকের

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঃ    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দ্বিমুখী তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার আটকে গেছে এক শিক্ষকের এমপিও। সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহা. তৌফিকুল ইসলাম এক শিক্ষকের অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে ২ বারে সাংঘর্ষিক প্রতিবেদনের কারণে অন্য এক নির্দোষ শিক্ষকের এমপিও আটকে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, সদর উপজেলার রামজীবনপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক মাহমুদা খাতুন একটি অভিযোগ করেন উপ-পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী বরাবরে। সেই অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহা. তৌফিকুল ইসলাম সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে চলতি বছরের ৫ জুলাই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, অভিযোগকারী সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মাহমুদা খাতুন, সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) সখিনা খাতুনকে তার উপজেলার দপ্তরে ডেকে পাঠান।  এ বিষয়ে তিনি সকলের আলাদা বক্তব্য শুনেন। সংশ্লিষ্ট সকলের বক্তব্য উল্লেখ করে তিনি ৬ জুলাই উপ-পরিচালক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।
প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন ‘জনবল কাঠামো ১৯৯৫ অনুসরণে যেহেতু ২ জনই নিয়োগ পেয়েছেন, আবার ২০১৩ সালের জনবল কাঠামো অনুসরণে তাদের স্নাতক (ডিগ্রী)তে তিনশ’ নম্বেরের ইংরেজী নাই, কাজেই নিয়োগকৃত কোন শিক্ষকের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নাই। নিয়োগকৃত শিক্ষকগণ পদবী মুদ্রণের সময় নিজেরাই নিজেদের পদবী বেছে নিয়েছেন এবং সেই পদবীতে কর্মরত থেকে ক্লাস গ্রহণ, পরীক্ষার খাতা মুল্যায়নসহ সরকারি প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেছেন। কাজেই প্রত্যেকের বর্তমান পদবী সঠিক রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান। এক্ষেত্রে অভিযোগের কোন সুযোগ আছে বলে মনে করিনা।’
এই প্রতিবেদনে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) মাহমুদা খাতুনের অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই প্রতীয়মান হলেও কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে উপ-পরিচালক ৯ সেপ্টেম্বর আবারও সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেন।
সেই নির্দেশের আলোকে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাঃ তৌফিকুল ইসলাম ২৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে গিয়ে সখিনা, মাহমুদাসহ ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য ও সকল শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণ করেন। নির্দেশনা মোতাবেক তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর উপ-পরিচালক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।
এ প্রতিবেদনে তিনি ১ম প্রতিবেদনের সম্পুর্ন বিপরীত বক্তব্য পেশ করেছেন। কোন নীতিমালা, বিধিমালা বা প্রজ্ঞাপনের তোয়াক্কা না করে কৌশলে সখিনাকে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) এবং মাহমুদাকে সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) হিসেবে পদায়নের সুপারিশ করেন তিনি।
একারণে তার এমপিও আটকে গেছে বলে অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী নির্দোষ সহকারী শিক্ষক সখিনা খাতুন। সখিনা খাতুন বলেন, অনলাইনে এমপিও আবেদন করার জন্য ফরমে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর নিতে গেলে তিনি স্বাক্ষর দিচ্ছেন না। প্রধান শিক্ষক আর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অনৈতিকভাবে মাহমুদা খাতুনের পক্ষ নিয়ে তার প্রতি অন্যায় করছেন বলে জানান সখিনা খাতুন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট ‘সখিনা খাতুনের এমপিও অনলাইন ফরমে স্বাক্ষর না করার কারণ জানতে চাইলে,  তিনি বলেন-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মৌখিক নিষেধের কারণে তিনি স্বাক্ষর করছেন না। তবে নিষেধ করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহা.তৌফিকুল ইসলাম।
দুই তদন্ত প্রতিবেদনে ২ রকম বক্তব্য দেয়ার কারণ জানতে চাইলে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাঃ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম তদন্তে ২০১৩ সালের জনবল কাঠামো অনুসরণে প্রতিবেদন প্রেরণ করি। পরবর্তীতে ডিডি ম্যাডামের নির্দেশে যেহেতু তাদের নিয়োগ ২০০৫ সালে তাই ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামো অনুসরণে ২য় তদন্তে সখিনাকে ইংরেজি এবং মাহমুদাকে সামাজিক বিজ্ঞান দেয়া যেতে পারে বলে মতামত দিয়েছি।
সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) পদে সখিনা খাতুনের এমপিও বাধাগ্রস্থ হবেনা-এমন নিশ্চয়তা দিতে পারেননি তৌফিকুল ইসলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)