1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. nagorikit@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
  3. bholahatchitro@gmail.com : ভোলাহাটচিত্র : ভোলাহাটচিত্র
আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অর্ধ কোটি টাকা দেনমোহরে আদালতে ধর্ষক ৩ সন্তানের জনক ডাঃ রানার সাথে ধর্ষীতার বিয়ে

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে
 স্টাব রিপোর্টার ঃরাজশাহীর এক আদালতে ৫০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে জামিন পেল ধর্ষণ মামলার আসামি ডাঃ রানা। ২০ জানুয়ারি বুধবার রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে আসামিকে জামিন দেন আদালতের বিচারক। ৫০ লাখ টাকা দেনমোহরের মধ্যে ২৫ লাখ টাকা নগদে পেয়েছেন নববধূ। আসামি ডাঃ এস.এম সাখাওয়াত হোসেন রানা (৪৬)। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে কর্মরত ছিল। আর যার সঙ্গে তার বিয়ে হলো তিনি একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এই নারীর (২৭) গ্রামের বাড়ি। তিনি রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া মহল্লায় বান্ধবীর বাসায় সাবলেট থাকেন। ডা. রানার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর পোরশা উপজেলায়। তার স্ত্রী-সন্তানও আছে। এই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২৫ জুলাই গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারেই ছিল। গত ১২ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। প্রায় ছয় মাস কারাগারে থেকে বিয়ের শর্তে জামিন পান ডাঃ রানা । অভিযোগপত্রে ডা. রানা বিবাহিত ও তার তিনটি সন্তান থাকার কথা বলা হয়। আর ভুক্তভোগী নারী অবিবাহিত। নানা কায়দায় বিশ্বাস স্থাপন করে এ চিকিৎসক ওই নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ২৫ জুলাই ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি ভিডিওচিত্র দেখিয়ে ডাঃ রানা ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে ওই ভিডিওচিত্র নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক সময় ওই নারীর বান্ধবী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে রাজপাড়া থানা পুলিশ ডাঃ রানাকে আটক করে। এরপর ওই নারী বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় পর্নগ্রাফি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। গ্রেপ্তারের দিন অভিযুক্ত চিকিৎসকের কাছ থেকে ওই নারীকে ধর্ষণের ভিডিওচিত্র উদ্ধার হয়। এছাড়াও ডাঃ রানাও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ স্বীকার করে। ডাঃ রানার বাবা ১৮ জানুয়ারী তার ছেলেকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে ঐ নারী রাজি হয়। এরপর সেদিনই আদালতে একটি পিটিশন করা হয় যে, মামলার বাদী এবং আসামি বিয়ে করতে চান। আসামিকে যেন জামিন দেয়া হয়। এ দিন বিচারক আসামিকে বুধবার আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। আদালতে সিদ্ধান্ত হয় আদালতেই তাদের বিয়ে হবে। সে অনুসারে ২০ জানুয়ারী ডা. রানাকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এরপর বিচারকের সামনেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।’ বিয়েতে ঐ নারীর পে আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম এবং রানার বন্ধু মাসুদুজ্জামান কাজল স্বাী হয়। আর রানার পে তার বাবা মোখলেসুর রহমান, ভগ্নিপতি সাইফুল ইসলাম এবং হুমায়ুন কবীর নামে আরেকজন স্বাী হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালত ডাঃ রানার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি আদালতের হাজতখানায় ছিলেন। কাগজপত্র প্রস্তুত হলে বিকালেই তিনি ছাড়া পাবেন বলে জানা যায়। ২০০৮ সালে শিবগঞ্জে আল মদিনা ইসলামী হাসপাতালে এক নারী কম্পিউটার অপারেটরের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক করায় ঐ নারী গর্ভবতী হয়ে পড়লে ঐ নারীকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আপোষ মিমাংসা করে আল মদিনা ইসলামী হাসপাতাল ছেড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতালে চাকুরী নেয় । বিশেষ সুবিধার বিসিএস এ সরকারী চাকুরী লাভ করে এই ডাক্তার ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

থ্রি ষ্টার গ্রুপের অনলাইন নিউজ পোর্টাল

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি (Nagorikit.com)